ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি

ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজিতে কেন পড়বেন ?

ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বা কখনো ইলেকট্রনিক প্রকৌশল , প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যেটি ইলেক্ট্রনের প্রভাব ও আচরণ সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান, যন্ত্রপাতি, (যেমন ইলেক্ট্রন টিউব, ট্রানজিস্টর, সমন্বিত বর্তনী ) ইত্যাদির নির্মাণ, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করে। ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বা উপাদানের চালিকাশক্তি হিসেবে তড়িৎশক্তি ব্যবহৃত হয়। এই প্রকৌশলের অন্তর্গত শাখার মধ্যে তড়িৎশক্তি, টেলিযোগাযোগ প্রকৌশল, অর্ধ-পরিবাহী দ্বারা নির্মিত তড়িৎ বর্তনী অন্যতম । সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন নামকরা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহে চাকরি করছে । আমাদের শিক্ষার্থীরা সফলতার সাথে এ সকল প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছে । খুলনা বিভাগের অন্যান্য পলিটেকনিক এর তুলনায় সিটি পলিটেকনিক এর ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষার্থীরা টেকনোলজির উন্নয়নে একধাপ এগিয়ে , তার বাস্তব প্রমান হল স্কিল’স কম্পিটিশন । পর পর ৫ (পাচ) বার ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা স্কিল’স কম্পিটিশনে বিভাগীয় পর্যায়ে ১ম ও ২য় স্থান নিয়ে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছে । এছাড়াও দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সিটি পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে ।

ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির গুরুত্ব

বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে রেডিও এবং শেষের দিকে টেলিগ্রাফ শিল্পের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এর জন্য টেলিফোন শিল্পগুলির বিকাশে একটি পেশা হিসেবে “ইলেকট্রনিক প্রকৌশল” এর উদ্ভূত হয় । রেডিও জনগণের মনোযোগ আকর্ষন করতে সক্ষম হয়েছিল কারন প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এর মাধ্যমে বার্তা আদান প্রদান করা যেত । ১৯২০ সালের দিকে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে শুরু হওয়া অনেক সমপ্রচার “অপেশাদার” ছিল । বৃহৎ পরিমাণে ইলেকট্রনিক প্রকৌশলের আধুনিক সংস্করন যেমন টেলিফোন, রেডিও এবং টেলিভিশন সরঞ্জাম ইত্যাদির উন্নয়ন এবং এর পাশাপাশি রাডার , সোনার , উন্নত অস্ত্রোপচার এবং উন্নত অস্ত্র সিস্টেম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃহৎ পরিমাণে এসব জিনিসের ব্যবহার ইলেকট্রনিক সিস্টেমের উন্নয়নের জন্ম দেয় ।

আধুনিক সভ্যসমাজে বিজ্ঞানের প্রত্যেকটি আবিস্কারের পেছনে রয়েছে ইলেকট্রনিক্সের অবদান। এছাড়া স্বাস্থ্য সংক্রান্ত – বিষয়ে সকল প্রকার রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক্সের বিকল্প কিছু হতে পারে না। কাজেই এই দ্রুত উন্নয়শীল সমাজে Electronics Engineering একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হিসেবে অবস্থান করছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবন প্রণালী ও বেঁচে থাকার মাধ্যম হিসাবে Electronics প্রতি নিয়তই নিজেকে হাজির করছে নতুন ভাবে। উন্নত জীবন যাপনের জন্য মানুষ প্রতিটি মুহুর্তেই Electronics এর উপর নির্ভর করে চলছে। এক কথায় এই বিশাল পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব হয়েছে একমাত্র Electronics এর জন্য। খুব কম পরিসরে একমাত্র ইলেকট্রনিক্সই পারে নিজের কর্মসংস্থান নিজেই সৃষ্টি করতে। যেমন: IPS, UPS, VOLT STABILIZER, TV REMOTE, VCD, DVD, POWER SUPPLY ইত্যাদি ফ্যাক্টরী তৈরী করতে পারে।

কর্মক্ষেত্র

  • বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী TV Station, Railway Station, BTCL এ সকল প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে অসংখ্য চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।
  • বর্তমানে বাংলাদেশে Mobile Sector এর ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। যার ফলে Electronics এর Diploma Engineer দের নতুন নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
  • Mobile Company গুলোতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকুরীর সুযোগ রয়েছে.
  • বাংলাদেশে বেতার, আবহাওয়া অধিদপ্তর, রাডার ষ্টেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।.
  • সরকারী-বেসরকারী সকল স্কুল, কলেজ , মাদ্রাসা , এস.এস.সি Vocational, Polytechnics Institute-এর Junior Instructor, BIT I BUET-এর Electronics Lab -এ কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

শিক্ষকবৃন্দ

মুজাহিদুল ইসলাম
মুজাহিদুল ইসলাম বিভাগীয় প্রধান
মশিউর রহমান
মশিউর রহমান ইনস্ট্রাক্টর